মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার পররাষ্ট্রনীতিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখতে বিভিন্ন কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। তবে কোন কারণে সে সম্পর্কে ফাটল দেখা দিলে অপর পক্ষের উপর নেমে আসে বিভিন্ন ধরণের নিষেধাজ্ঞা।
শয়তান বা অশুভ শক্তি ধর্ম, ধর্মনিরপেক্ষ, নাস্তিকতা সব ধারাতেই সমান হাজির থাকতে পারে। মানুষের ওপর আল্লাহর অর্পিত রব্বানিয়াত বা পালনকর্তাসূলভ খেলাফতি দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে মানুষ শয়তান শক্তির প্রতিপক্ষ হিসেবে সক্রিয় থাকে। ইব্রাহিমি একত্ববাদে আল্লাহকে শুভ শক্তি ও শয়তানকে অশুভ শক্তি হিসেবে দেখার দ্বৈতবাদিতা নেই। আল্লাহ শুভ ও অশুভ দুই সত্তার ঊর্ধ্বে। শুভ ও অশুভ মানুষের মধ্যেই বিরাজ করে।
কলকাতার এক পরিচিত লোক আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, পুজোয় কোথায় লিখলেন? এরকম প্রতি পুজোর আগেই কিছু পাঠক জানতে চান কোথায় উপন্যাস লিখলাম, কোথায় গল্প, কোথায় প্রবন্ধ বা কবিতা।
উত্তর-আমেরিকার বঙ্গ-সম্মেলনে গিয়ে দেখলাম, বাংলার শাসকেরা আমাকে বিতাড়িত করলেও মৌলবাদীরা আমার বিরুদ্ধে সরব হলেও, নারীবিদ্বেষীরা আমার বিপক্ষে একজোট হলেও, বইয়ের প্রকাশকেরা
এবারের ঈদে মানুষ হলে গেছে, তিনটা ছবি নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। কারো হয়তো এটা ভালো লেগেছে, কারো লাগে নাই।
হোর্হে লুইস বোর্হেস একবার লিখেছিলেন, একটি বড় বিপদের সময়ে বেঁচে থাকার অর্থ হলো ট্র্যাজেডি ও কমেডি উভয় অভিজ্ঞতা অর্জনে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে আবিষ্কারের নৈকট্য নিয়ে নিজেদের এবং পুরো জগতকে অনুভব করা
ব্যাপারটি মোটেই অপ্রত্যাশিত ছিল না। গত কয়েকমাস ধরেই যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের শুদ্ধতা নিশ্চিতকরণের দাবি জানিয়ে আসছিল।
বাংলাদেশের নাগরিকদের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার যে নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে তার উদ্দেশ্য বিষয়ে কোনও ধরনের অস্পষ্টতা নেই; বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে সহযোগিতা করা এবং বাংলাদেশে যারা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট আছে তাঁদের প্রতি সমর্থন জানানোই এই নীতির লক্ষ্য
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নতুন একটি নিষেধাজ্ঞা জারির হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যদি কেউ সুষ্ঠু নির্বাচনে বাধা হয়, তাহলে সেসব ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে আমেরিকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ হবে।
নিজ বাসভূমি থেকে প্রায় দশ হাজার মাইল দূরত্বের এই আমেরিকায় আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশিরা দেশের রাজনীতি নিয়ে এ কী কান্ড করছেন?
স্বজন বলতে বা আপন বলতে বা আত্মীয় বলতে যা বোঝায়, তা আমার নেই
প্রথম আলোর একটা শিরোনাম:
ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরের বেকারিগুলো নোটিস দিয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফ্রেঞ্চ ভাষায় বলা হয়েছে,
ইডেনে পড়তে আসা আমরা বেশিরভাগই গ্রাম-গঞ্জ থেকে উঠে এসেছি। নিম্নবিত্ত- নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা পড়াশোনা করি। এই ছাত্ররাজনীতির কাছে তারা/আমরা কতটা অসহায়, এসব চিত্র তার প্রমাণ।
সবাইকে চমকায়া দিয়া তহুরা বেগম মাস্টার্স এ প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হইয়া গেলেন। চারদিকে ধন্য ধন্য পইড়া গেলো। পত্রিকায় নিউজ হইলো,
হুমায়ূন আহমেদকে তার ছোটভাই আহসান হাবীব জিজ্ঞেস করেছিলেন- দাদাভাই,
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের তিনিই ছিলেন অবিসংবাদিত নেতা। ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর যখন পাক হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটল, তখনও পাকিস্তানিদের চক্রান্তে তিনি ছিলেন পাকিস্তানেরই কারাগারে। যুদ্ধ জয়ের আনন্দের মধ্যেও তাই তখনও পিতার অনুপস্থিতির বেদনা। ২৫ দিন পর, ৪৮ বছর আগের এই দিনে (১০ জানুয়ারি, ১৯৭২) যখন তিনি পা রাখলেন দেশের মাটিতে, তখনই যেন পূর্ণতা পেল সেই বিজয়।
সত্য, সুন্দর ও মানুষের মানবিক জনপদ গড়ে তুলতে সমাজের যে অংশ সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে সে অংশের নাম ছাত্রসমাজ। যুগে যুগে কালে কালে সমাজের জ্ঞান পিপাসু তরুণরাই সকল অন্যায়, অবিচার, শোষণ, বঞ্চনা, লাঞ্চনার বিরুদ্ধে সবার আগে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে। লড়াই করছে প্রাণপণ।
নোবেলজয়ী লেখক স্যার বিদ্যাধর সূর্যপ্রসাদ (ভি.এস.) নাইপল আর নেই। ৮৫ বছর বয়সে গত শনিবার লন্ডনে তার নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুসংবাদ ঘোষণা করেন তার স্ত্রী নাদিরা নাইপল।
দেশে বছরজুড়ে যে আত্মহত্যার ঘটনাগুলো ঘটে সেসবের মাত্র কয়েকটি গণমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করে। আর অন্য ঘটনাগুলোর খবর আসলেও তা তেমন চোখে পড়ে না। গণমাধ্যমগুলোতে শহরের আত্মহত্যার ঘটনাগুলো একটু বেশি জায়গা পেলেও গ্রামে আত্মহত্যার হার বেশি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে
মাহাবুব জামানঠিক যে মুহূর্তে পাকিস্তান বাহিনী আত্মসমর্পণ করল, আমি তখন ছিলাম বেতকা নামের একটি জায়গায়। বেতকা জায়গাটি মুন্সিগঞ্জে, সেখানে আমার বাড়ি। তবে ঠিক বিজয়ের মুহূর্তটি নিয়ে আলোচনার আগে একটু পেছন ফিরে তাকাতে চাই।
রাজধানীর ট্রাফিক সিগন্যালগুলোতে বই বিক্রি করেই সংসার চলে যেত শাহজাহান মিয়ার। ২০ বছর ধরে এই পেশায় তিনি। বিজয় সরণি, সার্ক ফোয়ারা, শাহবাগ, পল্টন, গুলিস্তান কিংবা শাপলা চত্বরে দাঁড়ালে দিন শেষে ঘরে নিয়ে যেতে পারতেন ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা। কখনো কখনো আরো বেশি।